📚 Education for all Empowering students since May 2020
📍 জাঙ্গীপাড়া, Hooghly
WBCS Mains Geography Indian Soil Profile and ICAR Classification study guide banner in Bengali

WBCS Mains Geography Preparation

WBCS Mains Geography Preparation: ভারতের মৃত্তিকার গঠন, পরিলেখ (Soil Profile) ও ICAR শ্রেণিভাগ

পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (WBPSC) পরিচালিত WBCS Mains Examination-এর জেনারেল স্টাডিজ পেপার-৩ (ভারতের ভূগোল) অংশে ‘ভারতের সামাজিক ও অর্থনৈতিক ভূগোল’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এই বিভাগের অন্যতম প্রধান একটি অধ্যায় হলো ‘ভারতের মৃত্তিকা’ (Soils of India)। ডব্লিউবিসিএস মেইনস পরীক্ষায় মৃত্তিকার ভৌগোলিক উপাদান, পরিলেখ (Soil Profile), খনিজ গঠন এবং ICAR-এর শ্রেণিভাগ থেকে নিয়মিত বর্ণনামূলক ও অবজেক্টিভ প্রশ্ন এসে থাকে। নিচে এই অধ্যায়টির সম্পূর্ণ বিস্তারিত ও তথ্যবহুল নোটস উপস্থাপন করা হলো।

💡 WBCS Mains Exam Tip: মৃত্তিকা সংক্রান্ত প্রশ্নে ভালো নম্বর পেতে বিভিন্ন মৃত্তিকার আঞ্চলিক অবস্থান, উৎস শিলা (Parent Rock), খনিজ গঠন এবং প্রধান প্রধান ফসলের নাম ভালোভাবে মনে রাখা আবশ্যক।

WBCS Mains Geography Preparation


১. মৃত্তিকা কী এবং মৃত্তিকা বিজ্ঞান (Definition & Terminology)

ভূত্বকের উপরিভাগে আবহবিকারপ্রাপ্ত সূক্ষ্ম শিলাচূর্ণের সাথে উদ্ভিদ ও প্রাণীর পচনশীল জৈব পদার্থের (হিউমাস) দীর্ঘকালীন প্রাকৃতিক সংমিশ্রণে গঠিত যে শিথিল ও উর্বর আস্তরণ গড়ে ওঠে, যা উদ্ভিদকে পুষ্টি সরবরাহ করে ধারণ করে রাখতে পারে, তাকে মৃত্তিকা বা মাটি (Soil) বলে।

  • পেডোজেনেসিস (Pedogenesis): আবহবিকার, ক্ষয়ীভবন ও সংযোজনের মাধ্যমে আদি শিলা থেকে প্রাকৃতিক উপায়ে মাটি তৈরির জটিল ভৌগোলিক প্রক্রিয়াকে ‘পেডোজেনেসিস’ বলা হয়।
  • পেডোলজি (Pedology): ভূগোলের যে শাখায় মাটির প্রাকৃতিক পরিবেশ, বৈশিষ্ট্য, গঠন প্রক্রিয়া ও উপাদান নিয়ে বৈজ্ঞানিক চর্চা করা হয়, তাকে ‘পেডোলজি’ বা মৃত্তিকা বিজ্ঞান বলা হয়।
  • পেডন (Pedon): মৃত্তিকার ত্রিমাত্রিক সর্বনিম্ন একক যা মৃত্তিকা গবেষণায় ব্যবহৃত হয়।

২. আদর্শ মৃত্তিকা পরিলেখ (Soil Profile & Horizons)

অনুকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক পরিবেশে একটি পরিণত বা আদর্শ মাটিতে ভূপৃষ্ঠ থেকে নিচে আদি শিলাস্তর পর্যন্ত লম্বচ্ছেদ (Vertical Section) করলে ভূপৃষ্ঠের সমান্তরালে কতগুলি সুস্পষ্ট স্তর দৃশ্যমান হয়। এই লম্বচ্ছেদকে মৃত্তিকার পরিলেখ (Soil Profile) এবং সমান্তরাল স্তরগুলিকে হরাইজন (Horizon) বলা হয়।

একটি সম্পূর্ণ গঠিত আদর্শ মৃত্তিকা পরিলেখকে প্রধানত ৫টি হরাইজনে ভাগ করা হয়:

‘O’ হরাইজন (জৈব স্তর / Organic Layer)

এটি ভূপৃষ্ঠের সর্বকনিষ্ঠ ও ওপরের স্তর। এখানে বনাঞ্চলের গাছপালার পাতা, ডালপালা ও জীবজন্তুর দেহাবশেষ জমা হয়। এটি দুটি অংশে বিভক্ত— O1 (আজৈব / অপচিত স্তর) যেখানে জীবদেহের গঠন চেনা যায় এবং O2 (হিউমাস স্তর) যেখানে পূর্ণ বিয়োজন ঘটে কালো হিউমাসে পরিণত হয়।

‘A’ হরাইজন (উপরি-মৃত্তিকা / Topsoil)

এটি প্রধানত খনিজ পদার্থ ও বিয়োজিত হিউমাসের মিশ্রণে গঠিত। বৃষ্টির জলের দ্বারা এই স্তরের দ্রবণীয় খনিজ পদার্থ ও লোহা ধৌত হয়ে নিচের স্তরে নেমে যায়, তাই এই প্রক্রিয়াকে এলুভিয়েশন (Eluviation) এবং ‘A’ হরাইজনকে এলুভিয়াল স্তর বলা হয়।

‘B’ হরাইজন (উপ-মৃত্তিকা / Subsoil)

‘A’ স্তর থেকে ধৌত হয়ে আসা লোহা, অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড, কাদা ও চুন এই স্তরে এসে সঞ্চিত হয়। সঞ্চয়ের এই প্রক্রিয়াকে ইলুভিয়েশন (Illuviation) এবং ‘B’ হরাইজনকে সঞ্চয়ী বা ইলুভিয়াল স্তর বলা হয়।

‘C’ ও ‘R’ স্তর (আদি শিলা স্তর / Regolith & Bedrock)

‘C’ হরাইজন: ‘B’ স্তরের নিচে অবস্থিত আংশিক আবহবিকারপ্রাপ্ত আদি শিলার চূর্ণ দিয়ে গঠিত স্তর (রেগোলিথ)।
‘R’ স্তর: পরিলেখের একদম নিচে অবস্থিত অবিচ্ছিন্ন, অবিকৃত কঠিন আদি শিলাস্তর (Bedrock)।


৩. মৃত্তিকার খনিজ উপাদান ও গঠনকারী প্রক্রিয়া (Mineral Composition & Processes)

মাটির খনিজ উপাদানগুলিকে তাদের উৎপত্তি ও আকৃতির ওপর ভিত্তি করে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়:

  1. প্রাথমিক খনিজ (Primary Minerals): আদি শিলা ভাঙনের ফলে খনিজের যেসব অংশ পরিবর্তন ছাড়া সরাসরি মাটিতে থেকে যায়। এদের দানার আকার বড় হয়। উদাহরণ: কোয়ার্টজ (Quartz), ফেল্ডস্পার (Feldspar), অলিভিন (Olivine), পাইরক্সিন (Pyroxene) এবং মাইকা বা অভ্র (Mica)।
  2. পরিবর্তিত বা গৌণ খনিজ (Transformed / Secondary Minerals): রাসায়নিক আবহিকারের মাধ্যমে আদি খনিজ পরিবর্তিত হয়ে যে সূক্ষ্ম দানাদার কেলাস তৈরি করে। এর মধ্যে প্রধান কদর্ম খনিজ (Clay Minerals) হলো কেওলিনাইট (Kaolinite), ইলাইট (Illite), মন্টমরিলোনাইট (Montmorillonite) এবং ভার্মিকুলাইট (Vermiculite)।

মাটি গঠনের সহায়ক প্রক্রিয়া ও নিয়ন্ত্রক: মাটি গঠনে জলবায়ু (উষ্ণতা ও বৃষ্টিপাত), জীবদেহের ভূমিকা, ভূপ্রকৃতি এবং আদি শিলার বৈশিষ্ট্য মূল ভূমিকা নেয়। এর সাথে জড়িত প্রধান ভৌগোলিক প্রক্রিয়াগুলি হলো আবহবিকার (Weathering), স্থানান্তর (Translocation), পডজলাইজেশন (Podzolization), ক্যালসিফিকেশন (Calcification) এবং ল্যাটেরাইজেশন (Laterization)।


৪. ICAR অনুযায়ী ভারতের ৮টি প্রধান মৃত্তিকা শ্রেণিভাগ (Classification of Indian Soils)

উৎপত্তি, ভৌত ও রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য, উদ্ভিদের প্রকার এবং আঞ্চলিক জলবায়ুর ওপর ভিত্তি করে ICAR (Indian Council of Agricultural Research) ভারতের মাটিকে প্রধান ৮টি বড় বিভাগে ভাগ করেছে:

১. পলিমৃত্তিকা (Alluvial Soil):

এটি ভারতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও সর্বাধিক বিস্তৃত মৃত্তিকা (ভারতের মোট ভূখণ্ডের প্রায় ৪৩% বা ১৪.২৫ লাখ বর্গ কিমি)। উত্তর ভারতের নদী গঠিত সমভূমি, শতদ্রু-গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র সমভূমি, মহানদী, গোদাবরী, কৃষ্ণা, কাবেরীর ব-দ্বীপ ও উপকূলবর্তী অঞ্চলে এটি পাওয়া যায়। এই মাটিতে পটাশ, ফসফরিক অ্যাসিড ও চুন থাকলেও নাইট্রোজেনের অভাব থাকে। ধান, গম, ইক্ষু, পাট, তিল ও তৈলবীজ চাষের জন্য এটি অত্যন্ত উপযোগী।

পলিমৃত্তিকার ৪টি প্রধান আঞ্চলিক রূপ:

  • ভাঙ্গর (Bhangar): নদী অববাহিকার উচ্চভূমিতে অবস্থিত প্রাচীন পলি মাটি। এটি কাদাপ্রধান, দোআঁশযুক্ত ও চুন বা কঙ্কর যুক্ত থাকে।
  • খাদার (Khadar): নদীর তীরবর্তী প্লাবনভূমিতে গঠিত উর্বর ও নতুন পলি মাটি। এটি প্রতি বছর বন্যার জলে নতুন পলি সঞ্চয়ের মাধ্যমে পুনর্নবীকৃত হয়।
  • ভাবর (Bhabar): হিমালয়ের শিবালিক পাদদেশে নদী দ্বারা বাহিত নুড়ি, পাথর ও মোটা পলি জমে গঠিত ছিদ্রযুক্ত ও অনুর্বর মাটি। এখানে ছোট নদীগুলি ভূগর্ভে হারিয়ে যায়।
  • তরাই (Terai): ভাবর অঞ্চলের দক্ষিণে অবস্থিত অতি-বৃষ্টিপাতযুক্ত জলাকীর্ণ, স্যাঁতসেঁতে ও ঘন জঙ্গলময় মাটি। এতে জৈব পদার্থ ও নাইট্রোজেন বেশি থাকলেও ফসফেটের অভাব থাকে। তবে এটি ধান, গম ও আখের জন্য উপযোগী।

২. কৃষ্ণ মৃত্তিকা (Black Soil / Regur Soil):

দাক্ষিণাত্য লাভা মালভূমির ব্যাসল্ট শিলা দীর্ঘকালীন আবহবিকারের ফলে এই মাটি তৈরি হয়েছে। স্থানীয়ভাবে এটি ‘রেগুর’ (Regur) এবং আন্তর্জাতিকভাবে ‘ট্রপিক্যাল চারনোজেম’ নামে পরিচিত। চুন, লোহা, ম্যাগনেসিয়াম ও অ্যালুমিনিয়াম সমৃদ্ধ এই মাটিতে জলধারণ ক্ষমতা অত্যন্ত বেশি। শুকিয়ে গেলে এতে বড় বড় ফাটল সৃষ্টি হয় (Self-ploughing effect)। এই মাটি কার্পাস (তুলা) চাষের জন্য বিশ্বখ্যাত। এছাড়া তামাক, গম, জোয়ার, মিলেট ও তৈলবীজ চাষ হয়। মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাট, কর্ণাটকের উত্তরাংশে এটি প্রধানত দেখা যায়।

৩. লাল ও হলুদ মৃত্তিকা (Red and Yellow Soil):

আর্কিয়ান ও প্রিক্যাম্বিয়ান যুগের গ্রানাইট, নিস ও কোয়ার্টজাইট শিলা আবহবিকারগ্রস্ত হয়ে কম বৃষ্টিপাতযুক্ত অঞ্চলে এই মাটি তৈরি করে। লোহার অক্সাইডের আধিক্যের জন্য এর রঙ লাল এবং জলযোজনের ফলে হলুদ দেখায়। এতে নাইট্রোজেন, হিউমাস ও ফসফরাসের অভাব থাকে। এটি অনুর্বর হলেও সেচ ও সার প্রয়োগে ভুট্টা, বাজরা, তৈলবীজ ও ডাল চাষ করা যায়। উড়িষ্যা, ছত্তিশগড় ও মধ্য গঙ্গা সমভূমির দক্ষিণে এটি দেখা যায়।

৪. ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা (Laterite Soil):

অত্যধিক তাপমাত্রা ও পর্যায়ক্রমিক শুষ্ক-আর্দ্র বৃষ্টিপাতযুক্ত অঞ্চলে তীব্র ‘লিচিং’ (Leaching / প্রক্ষালন) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সিলিকা ধৌত হয়ে নিচে নেমে গেলে উপরিভাগে লোহা ও অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড জমা হয়ে এই মাটি তৈরি হয়। এটি ইটের মতো শক্ত ও অম্লপ্রকৃতির। এই মাটি কাজুবাদাম, চা, কফি ও রবার চাষের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। মধ্যপ্রদেশ, কর্ণাটক, কেরালা, তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিমের মালভূমি (রাঢ়) অঞ্চলে এটি পাওয়া যায়।

৫. মরু মৃত্তিকা (Arid / Desert Soil):

অত্যধিক বাষ্পীভবন ও বৃষ্টিপাতের অভাবে শুষ্ক অঞ্চলে এই বালিপ্রধান ও উচ্চ লবণাক্ত মাটি গঠিত হয়। এতে জৈব পদার্থ ও হিউমাসের মাত্রা খুবই কম থাকে। স্বাভাবিক অবস্থায় এটি কৃষিকাজে অনুপযোগী হলেও ইন্দিরা গান্ধী খালের মতো জলসেচ ব্যবস্থার মাধ্যমে এখানে মিলেট, বার্লি, গম, গম ও তুলা চাষ সম্ভব হয়েছে। রাজস্থানের আরাবল্লীর পশ্চিমে, গুজরাটের সৌরাষ্ট্র ও কচ্ছ, পশ্চিম হরিয়ানা ও দক্ষিণ-পশ্চিম পাঞ্জাবে এটি বিস্তৃতি লাভ করেছে।

৬. লবণাক্ত ও ক্ষারীয় মৃত্তিকা (Saline and Alkaline Soil):

শুষ্ক বা জলাকীর্ণ অঞ্চলে কৈশিক প্রক্রিয়ার (Capillary Action) মাধ্যমে ভৌমজলের নোনা লবণ মাটির ওপরে উঠে এসে জমা হলে এই অনুর্বর মাটি তৈরি হয়। স্থানীয় ভাষায় এটি রে (Reh), উশর (Usar), কল্লার (Kallar) বা থুর (Thur) নামে পরিচিত। এতে সোডিয়াম, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের প্রাধান্য থাকে। প্রধানত সুন্দরবন উপকূল, গুজরাটের কচ্ছের রণ ও পাঞ্জাব-হরিয়ানার অতিরিক্ত সেচযুক্ত এলাকায় এটি দেখা যায়।

৭. পিট ও জলাভূমি অঞ্চলের মাটি (Peaty and Marshy Soil):

উচ্চ আদ্রতা ও অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতযুক্ত নিচু জলাভূমি অঞ্চলে অপ্রাপ্ত বিয়োজিত জৈব পদার্থ জমে এই কালো, ভারী ও অম্লপ্রকৃতির মাটি তৈরি হয়। এতে প্রচুর পরিমাণে হিউমাস (৪০-৫০%) থাকে। উত্তর বিহার, উত্তরাখণ্ডের দক্ষিণ অংশ, পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চল, ওড়িশা ও তামিলনাড়ুর উপকূলে এটি পাওয়া যায়। এতে ধান ও পাট চাষ ভালো হয়।

৮. পার্বত্য ও অরণ্য মৃত্তিকা (Mountain / Forest Soil):

হিমালয় ও অন্যান্য পর্বতের খাড়া ঢালে বনভূমির প্রাকৃতিক পরিবেশে এই অসম্পূর্ণ গঠিত মাটি দেখা যায়। পচাপাতা জমে এর উপরিভাগে হিউমাসের পরিমাণ বেশি থাকলেও পটাশ, ফসফরাস ও চুনের অভাব থাকে। পডজলাইজেশন প্রক্রিয়ার ফলে এটি অম্লীয় প্রকৃতির হয়। স্বাভাবিক অবস্থায় সাধারণ কৃষির অনুপযোগী হলেও ধাপ কেটে এখানে চা, কফি, মশলা, ঔষধি গাছ এবং আপেল, পিচ, নাশপাতি ইত্যাদি ফলের ফলন চমৎকার হয়।


৫. ICAR মৃত্তিকা বৈশিষ্ট্যের সংক্ষিপ্ত তুলনামূলক সারণী

  • পলিমৃত্তিকা
  • নদীবাহিত পলি সঞ্চয়
  • পটাশ ও চুন বেশি; নাইট্রোজেন কম
  • ধান, গম, পাট, আখ
  • কৃষ্ণ মৃত্তিকা
  • ব্যাসল্ট শিলার আবহবিকার
  • লোহা, চুন, ম্যাগনেসিয়াম বেশি; জলধারণ ক্ষমতা বেশি
  • তুলা (কার্পাস), তামাক, জোয়ার
  • লাল-হলুদ মাটি
  • গ্রানাইট ও নিস শিলা
  • লোহার অক্সাইড বেশি; হিউমাস ও N কম
  • ভুট্টা, বাজরা, তৈলবীজ
  • ল্যাটেরাইট
  • তীব্র প্রক্ষালন (Leaching)
  • লোহা ও অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড; অম্লীয়
  • কাজুবাদাম, চা, কফি, রবার
  • মরু মৃত্তিকা
  • যান্ত্রিক আবহবিকার ও বাষ্পীভবন
  • উচ্চ লবণ ও বালি; জৈব পদার্থ কম
  • মিলেট, বার্লি, ভুট্টা
  • পিট/জলাভূমি
  • জলাভূমিতে জৈব পদার্থের সঞ্চয়
  • উচ্চ হিউমাস (৪০-৫০%); অম্লপ্রকৃতির
  • ধান, পাট
  • মৃত্তিকার নাম উৎস শিলা / গঠন প্রক্রিয়া প্রধান খনিজ / রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য প্রধান ফসলাদি

    উপসংহার ও রিভিশন টিপস

    WBCS মেইনস পরীক্ষা ছাড়াও WBPSC-র অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভারতের ভূগোল অংশ থেকে মৃত্তিকার শ্রেণিভাগ ও তাদের অবস্থান সংক্রান্ত প্রশ্ন নিয়মিত আসে। উত্তর লেখার সময় ভারতের মানচিত্রে বিভিন্ন মৃত্তিকা অঞ্চলের সঠিক ভৌগোলিক অবস্থান চিহ্নিত করতে পারলে খাতায় নম্বর অনেকটাই বৃদ্ধি পায়।

    WBCS মেইনস পরীক্ষার আরও বিষয়ভিত্তিক বর্ণনামূলক হ্যান্ডনোটস ও প্র্যাকটিস সেট পেতে আমাদের ওয়েবসাইট Educenters.in-এর সাথে যুক্ত থাকুন।

    Written by

    Biswarup Santra
    Author
    Biswarup Santra
    Writer , Editor , Devoloper,Teacher & Trainer (Telecom NSQF)

    M.Tech in ECE, ToT Certified Trainer, Technical Guide Author & Developer. Biswarup Santra is a dedicated Teacher and Trainer for the Telecom NSQF. He holds an M.Tech degree in Electronics and Communication Engineering and has rich experience as the former Head of the Electronics and Telecommunication Engineering Department at Gobindapur Sephali Memorial Polytechnic College. Beyond his academic roles, he is a technical guide author, WordPress developer, and the creator of educational platforms for vocational and engineering students. He is deeply passionate about empowering students with modern technical skills.

    Leave a Reply