WBBSE Class 10 Telecom – Optical Fiber Splicer 100 Questions & Answers (Bengali)
WBBSE Class 10 Telecom – Optical Fiber Splicer 100 Questions & Answers (Bengali)
WBBSE Class 10 Telecom: Optical Fiber Splicer – 100+ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর (বাংলায়)
পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের (WBBSE) ভোকেশনাল টেলিকম (Vocational Telecom) সিলেবাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং আধুনিক একটি বিষয় হলো ‘অপটিক্যাল ফাইবার স্প্লাইসার’ (Optical Fiber Splicer)। আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা বা উচ্চগতির ইন্টারনেটের (High-Speed Internet) মেরুদণ্ড হলো এই অপটিক্যাল ফাইবার কেবল।
মে ২০২০ সাল থেকে Educenters.in নিরলসভাবে ভোকেশনাল ও ডিপ্লোমা ছাত্রছাত্রীদের জন্য মানসম্মত স্টাডি ম্যাটেরিয়াল তৈরি করে আসছে। দশম শ্রেণির (Class 10) ছাত্রছাত্রীদের ফাইনাল পরীক্ষার প্রস্তুতির কথা মাথায় রেখে এবং টেলিকম ইন্ডাস্ট্রির বেসিক ধারণা পরিষ্কার করার জন্য আমরা এই পোস্টে ১০০টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও তাদের উত্তর সাজিয়েছি।
পরীক্ষার সুবিধার্থে প্রশ্নগুলোকে বিভিন্ন গ্রুপে (Group A ও Group B) ভাগ করা হয়েছে। এই প্রশ্নোত্তরগুলো মনোযোগ সহকারে পড়লে পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করার পাশাপাশি প্র্যাকটিক্যাল ভাইভাতেও (Viva) অনেক সুবিধা হবে।
Group A: অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (Very Short Answer Type Questions – 1 Mark)
এই বিভাগে আমরা বেসিক সংজ্ঞা, সম্পূর্ণ নাম (Full Forms) এবং অপটিক্যাল ফাইবারের প্রাথমিক ধারণাগুলো নিয়ে আলোচনা করেছি।
১. অপটিক্যাল ফাইবার কী?
উত্তর: অপটিক্যাল ফাইবার হলো কাঁচ (সিলিকা) বা প্লাস্টিকের তৈরি একটি খুব সরু ও স্বচ্ছ তার, যার মধ্য দিয়ে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে তথ্য বা ডেটা পরিবহন করা হয়।
২. OFC-এর পুরো নাম কী?
উত্তর: OFC-এর পুরো নাম হলো Optical Fiber Cable (অপটিক্যাল ফাইবার কেবল)।
৩. অপটিক্যাল ফাইবারের কোরের প্রধান উপাদান কী?
উত্তর: অপটিক্যাল ফাইবারের কোরের প্রধান উপাদান হলো অত্যন্ত বিশুদ্ধ কাঁচ (Silica Glass) বা স্বচ্ছ প্লাস্টিক।
৪. স্প্লাইসিং (Splicing) কাকে বলে?
উত্তর: দুটি অপটিক্যাল ফাইবারের প্রান্তকে স্থায়ীভাবে এবং নিখুঁতভাবে জোড়া লাগানোর পদ্ধতিকে স্প্লাইসিং বলা হয়।
৫. OTDR-এর সম্পূর্ণ রূপটি লেখো।
উত্তর: OTDR-এর সম্পূর্ণ রূপ হলো Optical Time Domain Reflectometer। (এটি ফাইবারের লস ও ফল্ট মাপার একটি অত্যাধুনিক যন্ত্র)।
৬. ক্ল্যাডিং (Cladding)-এর কাজ কী?
উত্তর: ক্ল্যাডিং-এর প্রধান কাজ হলো আলোকে কোরের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা এবং আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনে সাহায্য করা।
৭. আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন কী?
উত্তর: আলো যখন ঘন মাধ্যম (কোর) থেকে লঘু মাধ্যমের (ক্ল্যাডিং) বিভেদতলে সংকট কোণের চেয়ে বেশি কোণে আপতিত হয়, তখন আলো প্রতিসৃত না হয়ে পুনরায় ঘন মাধ্যমেই ফিরে আসে; একে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন (Total Internal Reflection) বলে।
৮. শূন্যস্থানে আলোর গতিবেগ কত?
উত্তর: শূন্যস্থানে আলোর গতিবেগ হলো প্রায় ৩,০০,০০০ কিলোমিটার/সেকেন্ড ($3 \times 10^8$ m/s)।
৯. অ্যাটেন্যুয়েশন (Attenuation) পরিমাপের একক কী?
উত্তর: অপটিক্যাল ফাইবারে সিগন্যাল অ্যাটেন্যুয়েশন বা লস পরিমাপের একক হলো ডেসিবেল (dB)।
১০. ফিউশন স্প্লাইসিং-এ কোন শক্তি ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: ফিউশন স্প্লাইসিং-এ উচ্চ ভোল্টেজের ইলেকট্রিক আর্ক (Electric Arc) বা তাপ শক্তি ব্যবহার করে ফাইবার গলিয়ে জোড়া দেওয়া হয়।
১১. VFL-এর পুরো নাম কী?
উত্তর: VFL-এর পুরো নাম হলো Visual Fault Locator (এটি দিয়ে ফাইবারের ভাঙা অংশ লেজার আলোর সাহায্যে খালি চোখে দেখা যায়)।
১২. অপটিক্যাল ফাইবারে ‘কোর’ এবং ‘ক্ল্যাডিং’-এর মধ্যে কার প্রতিসরাঙ্ক বেশি?
উত্তর: অপটিক্যাল ফাইবারে ভেতরের অংশ অর্থাৎ ‘কোর’-এর প্রতিসরাঙ্ক (Refractive Index) বাইরের ‘ক্ল্যাডিং’-এর চেয়ে বেশি থাকে।
১৩. অপটিক্যাল ফাইবার কোন বৈজ্ঞানিক নীতিতে কাজ করে?
উত্তর: অপটিক্যাল ফাইবার মূলত আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন (Total Internal Reflection) নীতিতে কাজ করে।
১৪. পিগটেইল (Pigtail) কী?
উত্তর: পিগটেইল হলো এক টুকরো ছোট অপটিক্যাল ফাইবার, যার এক প্রান্তে কানেক্টর লাগানো থাকে এবং অন্য প্রান্ত খোলা থাকে (যা মূল কেবলের সাথে স্প্লাইসিং করা হয়)।
১৫. অপটিক্যাল ফাইবার স্ট্রিপার (Stripper)-এর কাজ কী?
উত্তর: ফাইবারের ওপর থাকা বাফার কোটিং বা প্লাস্টিকের জ্যাকেট নিরাপদে ছাড়ানোর জন্য অপটিক্যাল ফাইবার স্ট্রিপার ব্যবহার করা হয়।
১৬. লেজার (LASER)-এর পূর্ণরূপ কী?
উত্তর: LASER-এর পূর্ণরূপ হলো Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation।
১৭. PPE-এর সম্পূর্ণ নাম লেখো।
উত্তর: কাজের সময় সুরক্ষার জন্য ব্যবহৃত গিয়ারকে PPE বা Personal Protective Equipment বলা হয়।
১৮. অপটিক্যাল ফাইবার ক্লীভার (Cleaver) কেন ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: স্প্লাইসিং-এর আগে ফাইবারের প্রান্তকে নিখুঁত ও সমতলভাবে (৯০ ডিগ্রি কোণে) কাটার জন্য ফাইবার ক্লীভার ব্যবহৃত হয়। সাধারণ ব্লেডে কাটলে ফাইবার এবড়োখেবড়ো হয়ে যায়।
১৯. সিঙ্গেল মোড ফাইবারের কোরের ব্যাস কত হয়?
উত্তর: সিঙ্গেল মোড (SM) ফাইবারের কোরের ব্যাস সাধারণত ৮ থেকে ১০ মাইক্রন (µm) হয় (স্ট্যান্ডার্ড মাপ ৯ মাইক্রন)।
২০. প্যাচ কর্ড (Patch Cord) কী?
উত্তর: প্যাচ কর্ড হলো নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্যের একটি অপটিক্যাল ফাইবার কেবল, যার উভয় প্রান্তেই কানেক্টর (যেমন SC, LC) লাগানো থাকে। এটি মূলত যন্ত্রপাতির সাথে সংযোগ করতে লাগে।
২১. ফেরুল (Ferrule) কী?
উত্তর: ফেরুল হলো কানেক্টরের সামনের শক্ত সাদা অংশ (সাধারণত সিরামিকের তৈরি) যা অত্যন্ত সূক্ষ্ম ফাইবারকে ধরে রাখে এবং অন্য কানেক্টরের সাথে সঠিক অ্যালাইনমেন্ট নিশ্চিত করে।
২২. অপটিক্যাল পাওয়ার মিটারের কাজ কী?
উত্তর: অপটিক্যাল ফাইবারের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত আলোর শক্তি (Optical Power) এবং সিগন্যাল লস পরিমাপ করা হলো পাওয়ার মিটারের কাজ।
২৩. স্প্লাইসিংয়ে আইসোপ্রোপাইল অ্যালকোহল (IPA) কেন ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: অপটিক্যাল ফাইবার বা কানেক্টর পরিষ্কার করার জন্য ৯৯% আইসোপ্রোপাইল অ্যালকোহল ব্যবহার করা হয়, কারণ এটি দ্রুত শুকিয়ে যায় এবং ফাইবারের গায়ে কোনো দাগ বা ময়লা রাখে না।
২৪. বাফার কোটিং (Buffer Coating)-এর কাজ কী?
উত্তর: বাফার কোটিং কাঁচের ফাইবারকে বাইরের আঘাত, আর্দ্রতা এবং ভৌত ক্ষতি থেকে রক্ষা করে নমনীয়তা প্রদান করে।
২৫. রাউট মার্কার (Route Marker) কোথায় ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: মাটির নিচে (Underground) অপটিক্যাল ফাইবার কেবল কোন পথে গেছে এবং কতটা গভীরে আছে, তা চিহ্নিত করার জন্য রাস্তার পাশে রাউট মার্কার ব্যবহার করা হয়।
Group B: সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (Short Answer Type Questions – 2 to 3 Marks)
এই অংশে ফাইবারের প্রকারভেদ, গঠন, বিভিন্ন ধরনের লস (Loss) এবং এর ইনস্টলেশন পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
২৬. সিঙ্গেল মোড (Single Mode) এবং মাল্টিমোড (Multimode) ফাইবারের মধ্যে দুটি পার্থক্য লেখো।
উত্তর: * কোরের ব্যাস: সিঙ্গেল মোড ফাইবারের কোর খুব সরু (৯ মাইক্রন) হয়, কিন্তু মাল্টিমোড ফাইবারের কোর চওড়া (৫০ বা ৬২.৫ মাইক্রন) হয়।
আলোর পথ: সিঙ্গেল মোডে আলো একটি মাত্র সোজা পথে চলে (যাতে লস কম হয়), কিন্তু মাল্টিমোডে আলো একাধিক পথে বা মোডে চলে।
২৭. স্টেপ ইনডেক্স এবং গ্রেডেড ইনডেক্স ফাইবারের মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর: স্টেপ ইনডেক্স ফাইবারে কোরের প্রতিসরাঙ্ক সর্বত্র সমান থাকে এবং ক্ল্যাডিং-এ গিয়ে হঠাৎ কমে যায় (স্টেপ-এর মতো)। কিন্তু গ্রেডেড ইনডেক্স ফাইবারে কোরের কেন্দ্র থেকে পরিধির দিকে প্রতিসরাঙ্ক ধীরে ধীরে কমতে থাকে, যা সিগন্যাল ডিসপারশন কমাতে সাহায্য করে।
২৮. লুজ টিউব বাফার (Loose Tube Buffer) সম্পর্কে সংক্ষেপে লেখো।
উত্তর: লুজ টিউব বাফারে অপটিক্যাল ফাইবারগুলো একটি শক্ত প্লাস্টিকের টিউবের ভেতর আলগাভাবে থাকে। টিউবটি সাধারণত জেলি (Water-blocking gel) দিয়ে পূর্ণ থাকে যা ফাইবারকে জল ও যান্ত্রিক চাপ থেকে রক্ষা করে। এটি মূলত আউটডোর বা মাটির নিচের কেবলে বেশি ব্যবহৃত হয়।
২৯. টাইট বাফার (Tight Buffer) কোথায় ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: টাইট বাফার সাধারণত ইনডোর কেবল (Indoor Cable) বা প্যাচ কর্ডে ব্যবহার করা হয়। এতে বাফার কোটিংটি ফাইবারের সাথে সরাসরি টাইটভাবে লেগে থাকে, যা ফাইবারকে অনেক বেশি নমনীয় করে এবং ঘরের ভেতর নাড়াচাড়া করা সহজ হয়।
৩০. অপটিক্যাল ফাইবারে ডিসপারশন (Dispersion) বলতে কী বোঝো?
উত্তর: অপটিক্যাল ফাইবারের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রম করার সময় ডিজিটাল আলোক পালস (Pulse) সময়ের সাথে সাথে ছড়িয়ে বা চওড়া হয়ে পড়ার ঘটনাকে ডিসপারশন বলে। এর ফলে সিগন্যাল বিকৃত হয়ে যায় এবং ডেটা ট্রান্সফারের স্পিড (Data Rate) কমে যায়।
৩১. অপটিক্যাল ফাইবারে বিভিন্ন প্রকার লস (Losses) সম্পর্কে আলোচনা করো।
উত্তর: ডেটা ট্রান্সমিশনের সময় অপটিক্যাল ফাইবারে প্রধানত নিম্নলিখিত লসগুলো হয়ে থাকে:
অ্যাটেন্যুয়েশন (Attenuation): দূরত্ব বাড়ার সাথে সাথে আলোর তীব্রতা বা শক্তি কমে যাওয়া।
অ্যাবসর্পশন লস (Absorption Loss): কাঁচের মধ্যে থাকা অপদ্রব্য (Impurities) দ্বারা আলো শোষিত হয়ে তাপ উৎপন্ন হওয়া।
স্ক্যাটারিং লস (Scattering Loss): কাঁচের ঘনত্বের আণবিক পার্থক্যের কারণে আলো চারদিকে ছড়িয়ে পড়া।
বেন্ডিং লস (Bending Loss): ফাইবারকে অতিরিক্ত বাঁকানোর ফলে আলো কোর থেকে বেরিয়ে যাওয়া (ম্যাক্রো এবং মাইক্রো বেন্ডিং)।
কানেক্টর ও স্প্লাইস লস: ফাইবারের জোড়া বা কানেক্টর সংযোগস্থলে ঘটা লস।
৩২. অপটিক্যাল ফাইবারের মধ্য দিয়ে আলো কীভাবে পরিবাহিত হয়, তা ‘পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন’-এর সাহায্যে ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: অপটিক্যাল ফাইবারের ভেতরের অংশ (কোর)-এর প্রতিসরাঙ্ক বাইরের অংশ (ক্ল্যাডিং)-এর চেয়ে বেশি হয়। যখন আলো কোরের ভেতর দিয়ে যায় এবং কোর ও ক্ল্যাডিং-এর বিভেদতলে আপতিত হয়, তখন যদি আপতন কোণের মান সংকট কোণের (Critical Angle) চেয়ে বেশি হয়, তখন আলো প্রতিসৃত হয়ে ক্ল্যাডিং-এ না গিয়ে পুনরায় কোরের ভেতরেই প্রতিফলিত হয়। একেই পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন বলে। এই প্রক্রিয়ায় আলো বারবার প্রতিফলিত হয়ে ফাইবারের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে আলোর গতিতে পৌঁছায়।
৩৩. OTDR-এর কার্যপ্রণালী এবং ব্যবহার বিস্তারিত আলোচনা করো।
উত্তর: * কার্যপ্রণালী: OTDR (Optical Time Domain Reflectometer) ফাইবারের এক প্রান্তে লেজার পালস পাঠায়। ফাইবারের কোথাও ত্রুটি, স্প্লাইস বা জয়েন্ট থাকলে সেখান থেকে কিছু আলো প্রতিফলিত হয়ে উৎসের দিকে ফিরে আসে (Backscattering)। ফিরে আসা আলোর সময় এবং তীব্রতা বিশ্লেষণ করে OTDR দূরত্ব ও লস নির্ণয় করে গ্রাফ তৈরি করে।
ব্যবহার: ফাইবারের মোট দৈর্ঘ্য মাপা, কোথায় ফাইবার কাটা গেছে (Break point) তা নির্ভুলভাবে বের করা এবং স্প্লাইস লস পরিমাপ করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়।
৩৪. আন্ডারগ্রাউন্ড (Underground) অপটিক্যাল ফাইবার ইনস্টলেশন পদ্ধতি বর্ণনা করো।
উত্তর: মাটির নিচে ফাইবার বসানোর ধাপগুলো হলো:
সার্ভে: প্রথমে মাটির নিচে অন্য কোনো জলের বা গ্যাসের লাইন আছে কি না তা দেখা।
ট্রেঞ্চিং: ১.৬৫ মিটার গভীর গর্ত বা নালা (Trench) খোঁড়া।
বেডিং: গর্তের নিচে নরম বালি দেওয়া যাতে পাথরের ঘষায় কেবল নষ্ট না হয়।
ডাক্টিং: গর্তে প্লাস্টিকের HDPE পাইপ বা ডাক্ট বসানো।
ব্লোয়িং/পুলিং: ব্লোয়িং মেশিনের সাহায্যে ডাক্টের ভেতর কেবল প্রবেশ করানো।
ব্যাকফিলিং: মাটি চাপা দেওয়া এবং ভবিষ্যতে খোঁড়ার সময় সতর্ক করার জন্য ওয়ার্নিং টেপ (Warning Tape) বিছানো।
৩৫. এরিয়াল (Aerial) অপটিক্যাল ফাইবার ইনস্টলেশন পদ্ধতি সম্পর্কে লেখো।
উত্তর: এরিয়াল পদ্ধতিতে মাটির বদলে পোলের (খুঁটির) ওপর দিয়ে কেবল টানা হয়।
প্রথমে পোলের শক্তি ও অবস্থান পরীক্ষা করা হয়।
এরিয়াল কেবলের সাথে সাধারণত একটি অতিরিক্ত স্টিলের তার বা ‘মেসেঞ্জার হুক’ থাকে যা কেবলকে পোলের মধ্যে ঝুলে থাকতে সাহায্য করে।
পোলগুলোতে টেনশন ক্ল্যাম্প ব্যবহার করে কেবল শক্ত করে আটকানো হয়।
দুই পোলের মাঝে কেবলের ঝুলে পড়া (Sag) এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয় যাতে অতিরিক্ত টেনশনে কেবল ছিঁড়ে না যায়।
৩৬. ফাইবার অপটিক নিয়ে কাজ করার সময় স্প্লাইসারদের কী কী সুরক্ষা ও সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত?
উত্তর: * চোখের সুরক্ষা: স্প্লাইসিং বা ফাইবার কাটার সময় অবশ্যই সেফটি গ্লাস (Safety Glass) পরতে হবে যাতে কাঁচের টুকরো চোখে না ঢোকে।
লেজার সতর্কতা: কখনোই খালি চোখে কানেক্টরের বা ফাইবারের প্রান্তের দিকে তাকানো যাবে না, কারণ ইনফ্রারেড লেজার চোখের রেটিনার মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: কাটা ফাইবারের টুকরোগুলো (Fiber scraps) যেখানে সেখানে না ফেলে নির্দিষ্ট কনটেইনার বা ডাস্টবিনে ফেলতে হবে, কারণ এগুলো খুব সহজে ত্বকে বিঁধে যেতে পারে।
মোট ১০০টি প্রশ্নের জন্য বিস্তারিত দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
Group A – Very Short Answer Type Questions (1 Mark)
Group B – Short Answer Type Questions (2–3 Marks)
- কোরের ব্যাস: সিঙ্গেল মোড ফাইবারের কোর খুব সরু (৯ মাইক্রন), কিন্তু মাল্টিমোড ফাইবারের কোর চওড়া (৫০ বা ৬২.৫ মাইক্রন)।
- আলোর পথ: সিঙ্গেল মোডে আলো একটি মাত্র পথে চলে, মাল্টিমোডে আলো একাধিক পথে চলে।
- ম্যাক্রো-বেন্ডিং: ফাইবারকে যদি বড় কোনো বাঁকে বাঁকানো হয় এবং আলো বেরিয়ে যায়, তাকে ম্যাক্রো-বেন্ডিং লস বলে।
- মাইক্রো-বেন্ডিং: ফাইবারের গায়ে খুব ছোট বা আণুবীক্ষণিক কোনো চাপ বা ত্রুটির কারণে যে লস হয়, তাকে মাইক্রো-বেন্ডিং লস বলে।
- বিপুল পরিমাণ তথ্য খুব দ্রুতগতিতে পাঠানো যায় (উচ্চ ব্যান্ডউইথ)।
- সিগন্যাল লস বা অ্যাটেন্যুয়েশন খুব কম।
- ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ইন্টারফারেন্স (EMI) বা বিদ্যুতের দ্বারা প্রভাবিত হয় না।
- Continuous Wave (CW): স্থির লাল আলো।
- Pulse Mode (GLINT): টিপটিপ বা ব্লিঙ্কিং আলো (ফল্ট সহজে চোখে পড়ার জন্য)।
Group C – Long Answer / Descriptive Questions (5 Marks)
- কোর (Core): একেবারে ভেতরের অংশ, যার মধ্য দিয়ে আলো প্রবাহিত হয়।
- ক্ল্যাডিং (Cladding): কোরের উপরের আবরণ, যা আলোকে কোরের ভেতরে আটকে রাখে।
- বাফার কোটিং (Buffer Coating): প্লাস্টিকের প্রলেপ যা ফাইবারকে আঘাত ও আর্দ্রতা থেকে রক্ষা করে।
- স্ট্রেন্থ মেম্বার (Strength Member): কেবলকে যান্ত্রিক শক্তি যোগায় এবং ছিঁড়ে যাওয়া থেকে বাঁচায়।
- আউটার জ্যাকেট (Outer Jacket): বাইরের শক্ত আবরণ যা পুরো কেবলকে পরিবেশ থেকে রক্ষা করে।
- স্ট্রিপিং (Stripping): ফাইবারের উপরের বাফার কোটিং স্ট্রিপার দিয়ে সাবধানে ছাড়ানো।
- ক্লিনিং (Cleaning): আইসোপ্রোপাইল অ্যালকোহল (IPA) ও লিন্ট-ফ্রি টিস্যু দিয়ে ফাইবার পরিষ্কার করা।
- ক্লিভিং (Cleaving): ক্লীভার মেশিন দিয়ে ফাইবারের মাথা ৯০ ডিগ্রি কোণে সমানভাবে কাটা।
- সেটিং (Setting): স্প্লাইসিং মেশিনের হোল্ডারে ফাইবার দুটি স্থাপন করা।
- স্প্লাইসিং (Splicing): মেশিনের বোতাম চেপে ফিউশন (আর্ক) প্রক্রিয়ায় জোড়া লাগানো।
- প্রটেকশন (Protection): জোড়া লাগানোর পর হিট শ্রিঙ্ক স্লিভ পরিয়ে তাপে সংকুচিত করে জয়েন্টটি সুরক্ষিত করা।
কার্যপ্রণালী: OTDR (Optical Time Domain Reflectometer) ফাইবারের মধ্যে লেজার পালস পাঠায়। ফাইবারের কোথাও ত্রুটি বা জয়েন্ট থাকলে সেখান থেকে কিছু আলো প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসে (Backscattering)। ফিরে আসা আলোর সময় এবং তীব্রতা বিশ্লেষণ করে OTDR দূরত্ব ও লস নির্ণয় করে。
ব্যবহার:
- ফাইবারের মোট দৈর্ঘ্য মাপা।
- কোথায় ফাইবার কাটা গেছে (Break point) তা নির্ভুলভাবে বের করা।
- স্প্লাইস লস এবং কানেক্টর লস পরিমাপ করা。
- অ্যাটেন্যুয়েশন (Attenuation): দূরত্ব বাড়ার সাথে সাথে আলোর তীব্রতা কমে যাওয়া।
- অ্যাবসর্পশন লস (Absorption Loss): কাঁচের অপদ্রব্য দ্বারা আলো শোষিত হওয়া।
- স্ক্যাটারিং লস (Scattering Loss): কাঁচের ঘনত্বের পার্থক্যের কারণে আলো চারদিকে ছড়িয়ে পড়া।
- বেন্ডিং লস (Bending Loss): ফাইবার বাঁকানোর ফলে আলো বেরিয়ে যাওয়া (ম্যাক্রো এবং মাইক্রো বেন্ডিং)।
- কানেক্টর ও স্প্লাইস লস: জোড়া বা সংযোগস্থলে ঘটা লস।
- সার্ভে: প্রথমে মাটির নিচে অন্য কোনো লাইন আছে কি না তা দেখা。
- ট্রেঞ্চিং: ১.৬৫ মিটার গভীর গর্ত বা নালা খোঁড়া。
- বেডিং: গর্তের নিচে বালি দেওয়া যাতে পাথরে কেবল নষ্ট না হয়。
- ডাক্টিং: গর্তে HDPE পাইপ বা ডাক্ট বসানো।
- ব্লোয়িং/পুলিং: মেশিনের সাহায্যে ডাক্টের ভেতর কেবল প্রবেশ করানো。
- ব্যাকফিলিং: মাটি চাপা দেওয়া এবং ওয়ার্নিং টেপ (Warning Tape) বিছানো。
- প্রথমে পোলের শক্তি পরীক্ষা করা হয়।
- কেবলের সাথে একটি অতিরিক্ত তার বা 'মেসেঞ্জার হুক' থাকে যা কেবলকে ঝুলে থাকতে সাহায্য করে।
- পোলগুলোতে টেনশন ক্ল্যাম্প এবং সাসপেনশন ক্ল্যাম্প ব্যবহার করে কেবল আটকানো হয়।
- দুই পোলের মাঝে কেবলের ঝুলে পড়া (Sag) নিয়ন্ত্রণ করা হয় যাতে ছিঁড়ে না যায়।
- ঝড়-বৃষ্টি থেকে বাঁচাতে লুপ রাখা হয়।
- চোখের সুরক্ষা: ফাইবার কাটার সময় সেফটি গ্লাস পরতে হবে। খালি চোখে কানেক্টরের দিকে তাকানো যাবে না (লেজার ভয়ের কারণ)。
- টুকরো ফাইবার: ফাইবারের ভাঙা টুকরো নির্দিষ্ট ঢাকা দেওয়া পাত্রে (Sharps Container) ফেলতে হবে, এদিক-সেদিক ফেলা যাবে না。
- খাবার: কাজের জায়গায় পানীয় বা খাবার খাওয়া যাবে না।
- রাসায়নিক: কেমিক্যাল ব্যবহারের সময় গ্লাভস পরা উচিত এবং আগুনের উৎস থেকে দূরে থাকা উচিত।
- ফাইবার স্ট্রিপার: কোটিং ছাড়ানোর জন্য。
- ক্লীভার: ফাইবার কাটার জন্য。
- স্প্লাইসিং মেশিন: জোড়া লাগানোর জন্য。
- টিস্যু ও IPA: পরিষ্কার করার জন্য।
- হিট শ্রিঙ্ক স্লিভ: জয়েন্ট প্রোটেকশনের জন্য。
- OTDR/VFL: টেস্টিং-এর জন্য。
- প্রথমে ফাইবার স্ট্রিপ করে পরিষ্কার করা হয়。
- ভালো মানের ক্লীভার দিয়ে ফাইবার ক্লিভ করা হয়।
- মেকানিক্যাল স্প্লাইস ইউনিটের ভেতরে ইনডেক্স ম্যাচিং জেল আছে কি না নিশ্চিত করা হয়।
- দুই দিক থেকে দুটি ফাইবার ইউনিটের ভেতর প্রবেশ করানো হয়।
- ফাইবার দুটি একে অপরকে স্পর্শ করলে লক (Lock) করে দেওয়া হয়।
- শেষে VFL দিয়ে চেক করা হয় আলো পাস হচ্ছে কি না।
- রাস্তার মোট দূরত্ব এবং নকশা (Map)。
- মাটির প্রকৃতি (শক্ত, নরম না পাথুরে)।
- রাস্তায় কোনো নদী, ব্রিজ বা রেললাইন আছে কি না।
- বিদ্যুতের লাইন বা অন্য কোনো কেবলের অবস্থান।
- কাজ করার জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অনুমতির বিবরণ।
- SC (Subscriber Connector): চারকোনা পুশ-পুল কানেক্টর, ডেটা কমে বেশি ব্যবহৃত হয়।
- LC (Lucent Connector): খুব ছোট আকারের কানেক্টর, হাই ডেনসিটি নেটওয়ার্কে লাগে।
- FC (Ferrule Connector): স্ক্রু বা প্যাঁচ দিয়ে আটকানো হয়, ভাইব্রেশন আছে এমন জায়গায় ভালো।
- ST (Straight Tip): এটি দেখতে অনেকটা BNC কানেক্টরের মতো, মোচড় দিয়ে লাগানো হয়।
- ড্রাম সবসময় সোজা বা খাড়া (Upright) রাখতে হবে।
- ড্রামের গায়ে নির্দেশিত তীরের (Arrow) দিকে গড়িয়ে নিতে হবে।
- ড্রাম নামানোর সময় কাঠের তক্তা বা র্যাম্প ব্যবহার করতে হবে।
- ড্রামের গায়ে পেরেক বা ধারালো কিছু আছে কি না দেখে নিতে হবে।
- খালি পায়ে বা স্যান্ডেল পরে ভারী ড্রাম হ্যান্ডলিং করা যাবে না।
- তাপমাত্রা: ফাইবারটি কত ডিগ্রি গরমে বা ঠান্ডায় (-৪০°C থেকে +৭০°C) কাজ করতে পারে।
- আর্দ্রতা: জলের সংস্পর্শে বা বাতাসে আর্দ্রতা বাড়লে সিগন্যাল লস বাড়ে কি না।
- UV প্রতিরোধ: সূর্যের আলোতে বাইরের জ্যাকেট নষ্ট হয় কি না।
- প্রথমে একটি ভালো প্যাচ কর্ড দিয়ে সোর্স ও মিটারের রেফারেন্স রিডিং (P1) নিতে হবে।
- এরপর যে কেবলটি টেস্ট করা হবে, সেটি সোর্স ও মিটারের মাঝে যুক্ত করতে হবে।
- এখন নতুন রিডিং (P2) নিতে হবে।
- পার্থক্য (P1 - P2) হলো ইনসার্শন লস।
- ভবিষ্যতে কোনো সমস্যা হলে দ্রুত ফল্ট খুঁজে বের করা যায়।
- কোন কোরে কোন কানেকশন আছে তা জানা যায়।
- নতুন সংযোগ বা নেটওয়ার্ক বাড়ানোর পরিকল্পনা করতে সুবিধা হয়।
- রিপোর্টে স্প্লাইস লস, দূরত্ব এবং রুটের ম্যাপ থাকে যা টেকনিশিয়ানদের গাইড হিসেবে কাজ করে।
- ফিউশন: সুবিধা - লস খুব কম (০.০২ dB), জয়েন্ট খুব শক্ত। অসুবিধা - মেশিনের দাম অনেক বেশি, বিদ্যুত প্রয়োজন。
- মেকানিক্যাল: সুবিধা - মেশিনের প্রয়োজন নেই, খরচ কম, দ্রুত করা যায়। অসুবিধা - লস বেশি (০.৩ dB), সময়ের সাথে আলগা হতে পারে।
- মোডাল ডিসপারশন (Modal): মাল্টিমোড ফাইবারে আলো বিভিন্ন পথে চলায় সময়ের পার্থক্য হয়।
- ক্রোমাটিক ডিসপারশন (Chromatic): আলোর বিভিন্ন রঙের (তরঙ্গদৈর্ঘ্য) গতিবেগ আলাদা হওয়ার কারণে হয়।
- পোলারাইজেশন মোড ডিসপারশন (PMD): আলোর কম্পন বিভিন্ন তলে আলাদা হওয়ার কারণে পালস ছড়িয়ে পড়ে।
- পার্থক্য: পুলিং-এ কেবলকে দড়ি দিয়ে টেনে আনা হয় যা কেবলের ওপর টান (Tension) সৃষ্টি করে। ব্লোয়িং-এ বাতাসের চাপে কেবলকে ভাসিয়ে নেওয়া হয়, যা নিরাপদ。
- পদ্ধতি: পুলিং ছোট দূরত্বের জন্য এবং ব্লোয়িং দীর্ঘ দূরত্বের জন্য ব্যবহৃত হয়। ব্লোয়িং মেশিনে কম্প্রেসার ও হাইড্রোলিক মোটর থাকে।
- সরঞ্জাম: স্ট্রিপার, কেভলার কাটার, ক্লীভার, টিস্যু, ডিসপেন্সার বোতল, স্ক্রু ড্রাইভার, প্লায়ার্স。
- রক্ষণাবেক্ষণ: টুলস ব্যবহারের পর পরিষ্কার করে রাখা, ক্লীভারের ব্লেড নিয়মিত চেক করা, স্ট্রিপারের ধারের ময়লা ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার করা এবং কিটবক্স সবসময় শুকনো রাখা。
- উদ্দেশ্য: কাজের পরিবেশ বোঝা, নিরাপত্তা ঝুঁকি যাচাই করা এবং কাজের পরিকল্পনা তৈরি করা。
- ধাপ: ১. লোকেশন ম্যাপ দেখা। ২. সরেজমিনে এলাকা পরিদর্শন। ৩. প্রবেশ পথ ও বিদ্যুতের ব্যবস্থা দেখা। ৪. স্থানীয় বাধা বা সমস্যা নোট করা। ৫. রিপোর্ট তৈরি করা。
- বাবল বা বুদবুদ: কারণ - ময়লা বা আর্দ্রতা। সমাধান - আবার কেটে ও পরিষ্কার করে স্প্লাইস করা。
- উচ্চ লস: কারণ - বাজে ক্লিভিং বা অ্যালাইনমেন্ট ঠিক নেই। সমাধান - ক্লিভিং চেক করা এবং মেশিন ক্যালিব্রেট করা।
- ফাইবার ফাটল: কারণ - ক্লীভার ব্লেড ভোঁতা। সমাধান - ব্লেড পরিবর্তন বা পজিশন চেঞ্জ করা।
- প্রকারভেদ: ১. ওয়াল মাউন্ট (দেওয়ালে লাগানো হয়)। ২. র্যাক মাউন্ট (সার্ভার র্যাকে লাগানো হয়)。
- ব্যবহার: এটি এক্সচেঞ্জ অফিস বা ডাটা সেন্টারে থাকে। বাইরের মোটা কেবল এখানে এসে টার্মিনেট হয় এবং এখান থেকে সরু প্যাচ কর্ড দিয়ে মেশিনে সংযোগ দেওয়া হয়। এটি কেবলকে সুশৃঙ্খল রাখে।
- সুবিধা: ১. বিশাল ব্যান্ডউইথ। ২. হালকা ওজন। ৩. বিদ্যুৎ দ্বারা প্রভাবিত হয় না। ৪. ডাটা চুরি করা কঠিন (নিরাপদ)。
- অসুবিধা: ১. ইনস্টলেশন ও যন্ত্রপাতি বেশ ব্যয়বহুল। ২. কাঁচের তৈরি বলে ভঙ্গুর, সাবধানে নাড়াচাড়া করতে হয়। ৩. জোড়া লাগাতে দক্ষ কারিগর প্রয়োজন।
Group D – Application / Skill-Based Questions (5 Marks)
- ফাইবারের কোথাও খুব বেশি বাঁকানো হয়েছে (Macro bend)。
- কোনো স্প্লাইস জয়েন্ট ঠিকমতো হয়নি বা ময়লা ছিল。
- কোনো কানেক্টর নোংরা বা ঠিকমতো লাগানো নেই।
- কেবলটি কোথাও চাপে চ্যাপ্টা হয়ে গেছে।
- সমস্যা: জল ঢুকলে ফাইবারের লস বেড়ে যাবে (অ্যাটেন্যুয়েশন) এবং দীর্ঘমেয়াদে ফাইবার ভঙ্গুর হয়ে ভেঙে যেতে পারে。
- প্রতিকার: পাম্প দিয়ে জল বের করে জয়েন্ট বক্স ও ফাইবার শুকাতে হবে। বক্সটি সিল করার সময় ওয়াটারপ্রুফ টেপ বা জেল ব্যবহার করতে হবে এবং ঢাকনাটি খুব শক্তভাবে আটকাতে হবে। প্রয়োজনে জয়েন্ট বক্সটি পরিবর্তন করতে হবে।
- সেফটি হেলমেট: মাথায় আঘাত লাগা থেকে বাঁচতে।
- রিফ্লেক্টিভ জ্যাকেট: রাস্তায় কাজ করার সময় গাড়ি চালকদের নজরে থাকার জন্য।
- সেফটি গ্লাস: চোখের সুরক্ষার জন্য।
- সেফটি বুট: পায়ে ভারী বস্তু পড়া বা ধারালো কিছু বিঁধলে রক্ষা পাওয়ার জন্য।
- গ্লাভস: হাত কেটে যাওয়া থেকে বাঁচাতে।
- কেবলের ঠিক ওপরে মাটির নিচে উজ্জ্বল রঙের 'ওয়ার্নিং টেপ' দেওয়া থাকে।
- মাটির ওপরে 'রাউট মার্কার' বা সাইনবোর্ড লাগানো থাকে।
- খনন করার আগে কেবলের ম্যাপ দেখে এবং লোকাল ডিটেক্টর মেশিন দিয়ে কেবলের অবস্থান নিশ্চিত করতে হয়।
- রঙ দেখে: সাধারণত সিঙ্গেল মোড ফাইবারের জ্যাকেট বা প্যাচ কর্ডের রঙ হলুদ (Yellow) হয়। আর মাল্টিমোড ফাইবারের রঙ কমলা (Orange) বা অ্যাকুয়া (Aqua/Blue) হয়。
- খালি চোখে ভেতরের কোর দেখে পার্থক্য বোঝা কঠিন, তবে জ্যাকেটের গায়ে লেখা (SM/MM) দেখেও চেনা যায়।
- প্রথমে লিন্ট-ফ্রি ওয়াইপ বা টিস্যুতে সামান্য আইসোপ্রোপাইল অ্যালকোহল (IPA) নেব。
- কানেক্টরের ফেরুলটি (সাদা অংশ) আলতো করে টিস্যুতে ঘষে পরিষ্কার করব。
- এরপর একটি শুকনো টিস্যু দিয়ে মুছে ফেলব যাতে অ্যালকোহলের দাগ না থাকে।
- শেষে ক্যানড এয়ার বা এয়ার ডাস্টার দিয়ে ধুলো উড়িয়ে দেব এবং মাইক্রোস্কোপ দিয়ে চেক করব।
- হাই ভোল্টেজ লাইন থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে হবে。
- মেটাল বা ধাতব তারযুক্ত কেবল ব্যবহার না করে ADSS (All-Dielectric Self-Supporting) কেবল ব্যবহার করা উচিত, যা বিদ্যুৎ পরিবাহী নয়。
- শুকনো আবহাওয়ায় কাজ করতে হবে এবং মই বা টুলস যেন বিদ্যুতের তারে না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
- ড্রামটি সবসময় তীরের চিহ্নের দিকে গড়িয়ে নিতে হবে, উল্টো দিকে গড়ালে কেবলের প্যাঁচ আলগা হয়ে যেতে পারে।
- ড্রাম কাত করে বা মাটিতে শুইয়ে গড়ানো যাবে না।
- বেশি দূরত্বের জন্য ফোর্কলিফ্ট বা ক্রেন ব্যবহার করতে হবে, মাটিতে ঘষটে নেওয়া যাবে না।
ছাত্রছাত্রীদের জন্য কিছু টিপস (Preparation Tips)
দশম শ্রেণির ভোকেশনাল পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়ার জন্য শুধুমাত্র প্রশ্ন মুখস্থ না করে, অপটিক্যাল ফাইবারের কাজ করার বৈজ্ঞানিক নীতি (পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন) এবং ছবিগুলো (যেমন- কোড় ও ক্ল্যাডিং এর ডায়াগ্রাম) ভালোভাবে খাতায় এঁকে প্র্যাকটিস করবে। স্প্লাইসিং মেশিন এবং OTDR-এর কাজগুলো প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসে মনোযোগ দিয়ে দেখবে।
তোমাদের টেলিকম সিলেবাসের আরও প্র্যাকটিস সেট এবং স্টাডি গাইড পেতে আমাদের [Diploma Engineering / Examination] ক্যাটাগরিতে নিয়মিত নজর রাখো। কোনো প্রশ্নের উত্তর বুঝতে অসুবিধা হলে নিচে কমেন্ট করে আমাদের জানাতে পারো! শুভকামনা।
Tags: WBBSE Class 10 Telecom, Optical Fiber Splicer, OFC Questions and Answers in Bengali, Vocational Telecom Suggestion 2026, Educenters Study Material
