WBCS মেইন পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য question Paper
পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ু: বৈশিষ্ট্য, নিয়ন্ত্রণকারী উপাদান, ঋতু পরিবর্তন, বৃষ্টিপাতের বণ্টন ও ঘূর্ণিঝড় আমফান (WBCS Mains Geography Notes)
WBCS মেইন পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য question Paper
পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (WBPSC) পরিচালিত WBCS Mains Examination-এর জেনারেল স্টাডিজ পেপার-৩ (ভারতের ও পশ্চিমবঙ্গের ভূগোল) অংশে ‘পশ্চিমবঙ্গের আঞ্চলিক ভূগোল’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এই বিভাগের অন্যতম প্রধান অধ্যায় হলো ‘পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ু’ (Climate of West Bengal)। রাজ্যের বিষম ভূপ্রাকৃতিক বৈচিত্র্য এবং ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে উত্তর থেকে দক্ষিণে জলবায়ুর ব্যাপক তারতম্য দেখা যায়। নিচে ডব্লিউবিসিএস মেইনস পরীক্ষার উপযোগ করে পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ুর প্রকৃতি, নিয়ন্ত্রণকারী ফ্যাক্টর, ঋতুভিত্তিক বিশ্লেষণ, বৃষ্টিপাতের অঞ্চলভিত্তিক বণ্টন এবং বিশেষ কেস স্টাডি হিসেবে ‘সুপার সাইক্লোন আমফান’ (Cyclone Amphan) সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
💡 WBCS Mains Exam Tip: ভূগোলের উত্তরের মান বাড়াতে পশ্চিমবঙ্গের মানচিত্রে কর্কটক্রান্তি রেখা, বর্ষার বায়ুর গতিপথ এবং সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাতযুক্ত অঞ্চলগুলি (বক্সা দুয়ার ও ময়ূরেশ্বর) চিহ্নিত করার অভ্যাস রাখুন।
১. পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ুর সাধারণ প্রকৃতি ও কোপেনের শ্রেণিভাগ (Nature of Climate & Koppen’s Classification)
পশ্চিমবঙ্গের সার্বিক জলবায়ু মূলত উষ্ণ-আর্দ্র ক্রান্তীয় মৌসুমী প্রকৃতির (Tropical Monsoon Climate)। রাজ্যের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উপস্থিতি এবং উত্তরে হিমালয় পর্বতমালার অবস্থান রাজ্যের জলবায়ুকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।
কোপেনের (Koppen) জলবায়ু শ্রেণীবিন্যাস অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গকে প্রধানত ৩টি অঞ্চলে ভাগ করা যায়:
- Aw (ক্রান্তীয় সাভানা জলবায়ু – Tropical Savanna): পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণাঞ্চল এবং গাঙ্গেয় ব-দ্বীপ অঞ্চলে এই ধরনের মৌসুমী জলবায়ু দেখা যায়, যেখানে দীর্ঘ গ্রীষ্মকাল এবং শুষ্ক শীতকাল বিদ্যমান।
- Cwg (উষ্ণ-আর্দ্র উপক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু – Humid Subtropical with Dry Winter): দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ির পাহাড়ি অঞ্চল বাদে রাজ্যের সমগ্র মধ্য ও উত্তর সমভূমি অঞ্চলে এই জলবায়ু পরিলক্ষিত হয়।
- Cwb / Dfc (পার্বত্য উপক্রান্তীয় / আলপাইন জলবায়ু – Subtropical Highland / Alpine): উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলার উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে অধিক উচ্চতার কারণে শীতল জলবায়ু বিরাজ করে।
২. পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ুর প্রধান নিয়ন্ত্রণকারী উপাদানসমূহ (Climate Controls of West Bengal)
পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ুর গতিপ্রকৃতি ও আঞ্চলিক তারতম্য মূলত প্রধান ৪টি ভৌগোলিক উপাদানের ওপর নির্ভরশীল:
১. বঙ্গোপসাগরের নৈকট্য (Proximity to Bay of Bengal)
রাজ্যের দক্ষিণে বিস্তৃত বঙ্গোপসাগর বিদ্যমান থাকার কারণে উপকূলীয় জেলাগুলিতে (দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর) সমভাবাপন্ন জলবায়ু বিরাজ করে। সমুদ্র থেকে আসা জলীয় বাষ্পপুষ্ট বায়ুর প্রভাবেই রাজ্যে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটে এবং শরৎকালে সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হয়।
২. মৌসুমী বায়ুর প্রভাব (Influence of Monsoons)
পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ুর মূল চালিকাশক্তি হলো দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু। রাজ্যের মোট বার্ষিক বৃষ্টিপাতের প্রায় ৮০%-৯০% ঘটে এই বায়ুর বঙ্গোপসাগরীয় শাখার প্রভাবে। আবার শীতকালে উত্তর-পূর্ব শুষ্ক মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করে।
৩. কর্কটক্রান্তি রেখার অবস্থান (Tropic of Cancer)
কর্কটক্রান্তি রেখা (২৩°৩০’ উত্তর) পশ্চিমবঙ্গের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে ৫টি জেলার ওপর দিয়ে অতিক্রম করেছে— পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান এবং নদিয়া (কৃষ্ণনগর ও ধুবুলিয়া)। ফলে গ্রীষ্মকালে এই অঞ্চলে সূর্য রশ্মি প্রায় লম্বভাবে পড়ে এবং চরম ভাবাপন্ন উষ্ণতার সৃষ্টি হয়।
৪. উচ্চতার প্রভাব ও ভূপ্রকৃতি (Altitude & Relief)
উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে প্রতি ১০০০ মিটার উচ্চতায় ৬.৪° সেলসিয়াস হারে তাপমাত্রা হ্রাস পায় (Normal Lapse Rate)। এর ফলে দার্জিলিং ও কালিম্পং পার্বত্য অঞ্চলে সারা বছর মনোরম শীতল আবহাওয়া বিরাজ করে। এছাড়া উত্তরের পাহাড়ে বাধা পেয়ে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত ঘটে।
৩. পশ্চিমবঙ্গের ঋতুচক্র ও বৈশিষ্ট্য (Seasons of West Bengal)
ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তর (IMD) অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ুকে প্রধানত ৪টি সুনির্দিষ্ট ঋতুতে ভাগ করা যায়:
ক) গ্রীষ্মকাল (Summer Season: মার্চ থেকে মে):
মার্চ মাস থেকে সূর্য উত্তর গোলার্ধে সরে যাওয়ার সাথে সাথে পশ্চিমবঙ্গে তাপমাত্রা দ্রুত বাড়তে থাকে। মে মাসে উষ্ণতা সর্বাধিক হয় (সমভূমিতে গড় ৩৫°-৪০°C)। পশ্চিমের মালভূমি অঞ্চলে (পুরুলিয়া, বাঁকুড়া) তাপমাত্রা ৪৫°C পার হয়ে যায় এবং অত্যন্ত উত্তপ্ত শুষ্ক স্থানীয় বায়ু ‘লু’ (Loo) প্রবাহিত হয়।
⚡ কালবৈশাখী (Nor’westers): গ্রীষ্মকালের বিকালের দিকে ছোটনাগপুর মালভূমি থেকে আগত উত্তপ্ত বায়ু এবং বঙ্গোপসাগরের জলীয় বাষ্পপূর্ণ বায়ুর সংঘর্ষে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে তীব্র শিলাবৃষ্টি ও বজ্রবিদ্যুৎসহ ঝড়-বৃষ্টি প্রবাহিত হয়। স্থানীয় ভাষায় একে ‘কালবৈশাখী’ এবং ইংরেজিতে ‘Nor’wester’ বলা হয়। এটি ধান ও পাট চাষের জন্য বেশ উপকারী।
খ) বর্ষাকাল / বর্ষার প্রাদুর্ভাব (Advancing Monsoon: জুন থেকে সেপ্টেম্বর):
উত্তর ভারতের তীব্র উষ্ঞতার কারণে গঠিত নিম্নচাপের টানে প্রায় ১০ থেকে ১৫ই জুনের মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর বঙ্গোপসাগরীয় শাখা রাজ্যে প্রবেশ করে। এই বায়ুর প্রভাবেই রাজ্যে বর্ষাকালের সূচনা হয় এবং সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভারি বৃষ্টিপাত ঘটে। রাজ্যের মোট বার্ষিক বৃষ্টিপাতের প্রায় ৮০%-৯০% এই সময়েই ঘটে থাকে।
গ) শরৎকাল / মৌসুমী বায়ুর প্রত্যাবর্তন (Retreating Monsoon: অক্টোবর থেকে নভেম্বর):
অক্টোবর মাসে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু রাজ্য থেকে ধীরে ধীরে পিছু হটতে শুরু করে। একে ‘মৌসুমী বায়ুর প্রত্যাবর্তন’ বলা হয়। আকাশ মেঘমুক্ত হয় এবং মনোরম আবহাওয়া সৃষ্টি হয়।
🌀 আশ্বিনের ঝড় (Autumn Cyclones): প্রত্যাবর্তনকারী মৌসুমী বায়ুর সাথে সামুদ্রিক বায়ুর সংঘর্ষে শরৎকালে (আশ্বিন-কার্তিক মাসে) বঙ্গোপসাগরে তীব্র নিম্নচাপ ও ক্রান্তীয় ঘূর্ণবাতের (Tropical Cyclones) সৃষ্টি হয়। পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে আঘাত হানা এই ঝড়কে স্থানীয়ভাবে ‘আশ্বিনের ঝড়’ বলা হয়।
ঘ) শীতকাল (Winter Season: ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি):
ডিসেম্বর থেকে উত্তর-পূর্ব শুষ্ক মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে রাজ্যে শীতকাল বিরাজ করে। আবহাওয়া শুষ্ক ও মনোরম থাকে। জানুয়ারি মাস সবচেয়ে শীতলতম মাস। পাহাড়ি অঞ্চলে গড় তাপমাত্রা ৫°C-এর নিচে নেমে যায় এবং সমভূমিতে ১০°-১৫°C থাকে। এই সময়ে ভূমধ্যসাগর থেকে আগত ‘পশ্চিমী ঝঞ্ঝা’ (Western Disturbances)-এর প্রভাবে কদাচিৎ হাল্কা বৃষ্টিপাত দেখা যায়।
৪. পশ্চিমবঙ্গে বৃষ্টিপাতের ভৌগোলিক বণ্টন (Distribution of Rainfall in West Bengal)
পশ্চিমবঙ্গে গড়ে বার্ষিক প্রায় ১৭৫ সেমি বৃষ্টিপাত হয়। তবে ভূপ্রকৃতি ও বঙ্গোপসাগরের দূরত্বের ওপর ভিত্তি করে বৃষ্টিপাতের তীব্র আঞ্চলিক বৈষম্য লক্ষ্য করা যায়:
| ভৌগোলিক অঞ্চল (Geographical Region) | গড় বার্ষিক বৃষ্টিপাত (Rainfall) | বৈশিষ্ট্য ও অঞ্চলের বিবরণ |
|---|---|---|
📍 বৃষ্টিপাতের চরম বিন্দু (Extremes of Rainfall in WB):
• সর্বাধিক বৃষ্টিপাতযুক্ত স্থান: জলপাইগুড়ি জেলার বক্সা দুয়ার (Buxa Duars – প্রায় ৫০০ সেমি)।
• সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাতযুক্ত স্থান: বীরভূম জেলার ময়ূরেশ্বর (Mayureswar – মাত্র ৯৫ সেমি)।
৫. বিশেষ কেস স্টাডি: সুপার সাইক্লোন আমফান (Case Study: Super Cyclonic Storm Amphan)
পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক ইতিহাস ও জলবায়ুর চরম রূপ অনুধাবন করতে ২০২০ সালের মারাত্মক সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় ‘আমফান’ (Amphan) একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। ডব্লিউবিসিএস মেইনস ভূগোলে ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়ের কেস স্টাডি হিসেবে এটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
ক) উৎস ও শ্রেণীবিন্যাস (Origin & Classification):
২০২০ সালের ১৩ই মে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে বিশাখাপত্তনমের প্রায় ১০২০ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে একটি নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে এটি দ্রুত শক্তি সঞ্চয় করে ‘সুপার সাইক্লোনিক স্টর্ম’ (Super Cyclonic Storm)-এ পরিণত হয়। ১৯৯৯ সালের ওড়িশা সুপার সাইক্লোনের পর বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া এটিই ছিল প্রথম সুপার সাইক্লোন।
খ) নামকরণের উৎস (Etymology):
‘আমফান’ (উচ্চারণ: উম-পুন) শব্দটি থাইল্যান্ড (Thailand) দ্বারা প্রদত্ত, যার থাই ভাষার অর্থ হলো ‘আকাশ’ (Sky)।
গ) বাতাসের গতিবেগ ও ল্যান্ডফল (Wind Speed & Landfall):
১৮ই মে সমুদ্রে আমফানের গতিবেগ সর্বোচ্চ চূড়ায় পৌঁছায়, যখন তিন মিনিট স্থায়ী বায়ুর গতিবেগ ছিল ২৪০ কিমি/ঘণ্টা এবং কেন্দ্রীয় ব্যারোমেট্রিক চাপ ছিল ৯২০ mbar।
অবশেষে ২০শে মে ২০২০ খ্রিস্টাব্দে ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বকখালির কাছে (সুন্দরবন অঞ্চল) ল্যান্ডফল বা ভূমিতে আছড়ে পড়ে। ল্যান্ডফলের সময় টেকসই বাতাসের গতিবেগ ছিল প্রায় ১৫৫ কিমি/ঘণ্টা (155 km/h)।
ঘ) ক্ষয়ক্ষতি ও প্রভাব (Impact & Destruction):
- প্রভাবিত জেলাসমূহ: দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, কলকাতা, হাওড়া এবং হুগলি জেলায় তাণ্ডব চালায়।
- অর্থনৈতিক ক্ষতি: উত্তর ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ইতিহাসে আমফান ছিল সবচেয়ে ব্যয়বহুল ঘূর্ণিঝড়। এতে মোট ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি (প্রায় ১.০৩ লাখ কোটি টাকা), যা ২০০৪ সালের সাইক্লোন নার্গিসের ক্ষয়ক্ষতিকেও ছাপিয়ে যায়।
- সুন্দরবন ইকোসিস্টেম: সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ অরণ্য এবং ম্যানগ্রোভ বাঁধ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে এটি ঝড়ের ঝাপটা থেকে কলকাতার ভেতরের অংশকে অনেকাংশে রক্ষা করে।
৬. WBCS Mains Model Questions (মডেল প্রশ্নোত্তর)
প্রশ্ন ১: পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ুতে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর ভূমিকা সংক্ষেপে আলোচনা করুন। (১০ নম্বর)
উত্তর সংকেত: ১০-১৫ই জুনের আগমন, বঙ্গোপসাগরীয় শাখা, রাজ্যের ৯০% বৃষ্টিপাতের ভৌগোলিক কারণ, শৈলোৎক্ষেপ ও ঘূর্ণবাত বৃষ্টিপাতের উল্লেখ।
প্রশ্ন ২: পশ্চিমবঙ্গের বৃষ্টিপাতের আঞ্চলিক বণ্টনের বৈষম্যের কারণ ব্যাখ্যা করুন। (১০ নম্বর)
উত্তর সংকেত: হিমালয়ের অবস্থান (বক্সা দুয়ার ৫০০ সেমি), সমুদ্রের দূরত্ব (উপকূলীয় অঞ্চল ২০০ সেমি), পশ্চিমের মালভূমির প্রভাব (ময়ূরেশ্বর ৯৫ সেমি)।
প্রশ্ন ৩: সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় আমফান (Amphan)-এর সৃষ্টি, গতিপথ ও পশ্চিমবঙ্গের ওপর এর অর্থনৈতিক প্রভাবের বিবরণ দিন। (১২ নম্বর)
উত্তর সংকেত: বঙ্গোপসাগরে উৎপত্তি (১৩ মে), থাইল্যান্ডের দেওয়া নাম, বকখালিতে ল্যান্ডফল (২০ মে – ১৫৫ কিমি/ঘণ্টা), ১৩ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি ও সুন্দরবনের ভূমিকার বিশ্লেষণ।
উপসংহার
পশ্চিমবঙ্গের ভৌগোলিক অবস্থান ও বৈচিত্র্যময় ভূপ্রকৃতি এর জলবায়ুকে অনন্য চরিত্র দান করেছে। কৃষিপ্রধান রাজ্য হওয়ায় মৌসুমী বায়ুর আগমন ও বৃষ্টিপাতের পরিমাণের ওপর রাজ্যের সামাজিক ও অর্থনৈতিক ভাগ্য অনেকটাই নির্ভরশীল। একই সাথে বঙ্গোপসাগরে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট ঘন ঘন ঘূর্ণিঝড় রাজ্যের উপকূলবর্তী অঞ্চলের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।
WBCS মেইনস পরীক্ষার আরও বিষয়ভিত্তিক নোটস ও প্র্যাকটিস সেট পেতে নিয়মিত ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট Educenters.in। নিবন্ধটি আপনার উপকারে আসলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না!
